,

বিশ্বকাপ বলেই বলা যাচ্ছেনা!

News

১৯৯৯ থেকে ২০১৯ এই বিশ বছরে বহুবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। সংখ্যার হিসেবে যাকে বলা যায় ৩৭ বার। এর ভিতরে বাংলাদেশ জিতেছে ১৪টি ম্যাচ এবং ক্যারিবীয়রা জিতেছে ২১ টি ম্যাচ। ২ ম্যাচ ধুয়ে গেছে বৃষ্টিতে। শতকরার হিসেবে যাকে বলে ৩৩.৩৩ শতাংশ ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের উন্নতির গ্রাফটা পাওয়া যায় শেষ ১০ ম্যাচ দেখে। শেষ দশবারের দেখায় ৭বারই জিতেছে টাইগাররা। যার শতকরা হিসেব দাড়ায় ৭০ শতাংশ। যদি আরও ছোট করে বলি তবে গত ৫ ম্যাচে মাত্র একটি জিতেছে ক্যারিবীয় দীপপুঞ্জের অধিবাসীরা। এই পর্যন্ত হিসেবটা সহজ। সোজাসাপ্টা। ১৭ই জুন জয়ের পাল্লা বাংলাদেশের দিকেই থাকে। তবে যেহেতু এটি বিশ্বকাপ বিপত্তিটা সেখানেই।

বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৫টি বিশ্বকাপ আসরে অংশগ্রহন করেছে তার ভিতরে ৪টি বিশ্বকাপে ৪বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। ৪টি ম্যাচের ৩টিতে শোচনীয় পরাজয় মেনে নিতে হয়েছে টাইগারদের। ১টি ম্যাচ বৃষ্টির বাধায় রক্ষা। নইলে পরাজয়ের ষোলোকলা পূর্ন হতো টাইগারদের।

সর্বপ্রথম মুখোমুখি হয়েছিলো আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনের ক্লোনটার্ফ ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ডে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে। সেবার এক পুঁচকে সহযোগী সদস্য ছিলো বাংলাদেশ। সেই বিশ্বকাপের সুখস্মৃতি কেবল পরাশক্তি পাকিস্তানকে হারানো। বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম দেখায় বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে হারায় কোর্টনি ওয়ালশরা। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন সেই ওয়ালশই বর্তমান বাংলাদেশ দলের কোচ।

সেই ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন কোর্টনি ওয়ালশ। সবকটি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করেছিলো ১৮২ রান। এটিই এখনও বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান বিশ্বকাপে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে। হেসে খেলেই ৭ উইকেট হাতে রেখেই সেবার জিতেছিলো জিমি অ্যাডামসরা। এর পরেরবার মুখোমুখি হয়েছিলো সাউথ আফ্রিকার বেননিতে উইলিমোর পার্কে। সেবার টস জিতে বোলিং নিয়েছিলো বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রানের টার্গেট দাঁড় করিয়েছিলো উইন্ডিজ।

জবাবে ৩২ রানেই ওপেনার আল শাহরিয়ার এবং এহসানুল হককে হারিয়ে বিপাকে পরে বাংলাদেশ। তবে সেবারে ত্রাতা হয়ে ফিরেছিলো বৃষ্টি। তখনকার বাংলাদেশ এটাই মনে করতো হারের থেকে পরিত্যক্ত হওয়াই মঙ্গল। এর পরের দেখা ২০০৭ বিশ্বকাপে এপ্রিল মাসে বার্বাডোস এ। সেবারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছুঁড়ে দেয়া ২৩০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৩১ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৯৯ রানের হার নিয়ে সেবার ফিরে আসি সুপার এইট থেকে। এর পরের বিশ্বকাপ অর্থাৎ ২০১১ বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে ৫৮ রানে অলআউট হওয়ার লজ্জার স্মৃতি এখনও উজ্জ্বল। ৯ উইকেট হাতে রেখেই জিতেছিলো বাংলাদেশ।

এরপর আর দেখা হয়নি বিশ্বকাপে। এবার তাদের হারাতে হলে নতুন রেকর্ড গড়েই হারাতে হবে টাইগারদের। তবে সাম্প্রতিক পারফরমেন্স বলছে এখন বাংলাদেশের সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যেনো আগের বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজঃ
ম্যাচঃ- ৩৭
উইন্ডিজ জয়ঃ- ২১
উইন্ডিজ হারঃ- ১৪
বাংলাদেশ জয়ঃ-১৪
বাংলাদেশ হারঃ-২১
পরিত্যাক্তঃ-২

বিশ্বকাপে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজঃ
ম্যাচঃ- ৪
উইন্ডিজ জয়ঃ- ৩
উইন্ডিজ হারঃ- ০
বাংলাদেশ জয়ঃ-০
বাংলাদেশ হারঃ-৩
পরিত্যাক্তঃ-১

     এ জাতীয় আরও খবর
Vladimir Ducasse Jersey