,

তোমাকে বিশ্বকাপ উপহার দিতে পেরে আমিও কৃতজ্ঞ

News

দেশের মাটিতে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক। ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ভারতকে কাপ জেতানোর অন্যতম কারিগরও তিনি। ভারতের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সেই যুবরাজ সিংহ সোমবার অবসর নিলেন সব ধরনের ক্রিকেট থেকেই। তবে বিদেশের ক্রিকেট লিগে নিজের খেলার সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছেন তিনি। ভারতীয় ক্রিকেট থেকে যুবরাজ অবসর নিলেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে তাঁর লড়াই।

এ দিন মুম্বইয়ে অবসর ঘোষণা করতে আবেগপ্রবণ যুবরাজ বলেন, এটাই সরে যাওয়ার সেরা সময়। মা ও স্ত্রী-র সঙ্গে কথা বলেছি। বাবাও দিন কয়েক বললেন এ বার ছাড়তে পারি। শচিন, হরভজন, শেবাগদের সঙ্গেও কথা বলেছি। ক্রিকেট আমাকে শিখিয়েছে লড়াই, জয় পেয়েও সংযত থাকা, ব্যর্থতা সামলানো, চূর্ণ হয়েও ফের মাথা উঁচু করে উঠে দাঁড়ানো। খেলতে গিয়ে ব্যর্থতাই এসেছে বেশি। কিন্তু আমি কখনও হাল ছাড়িনি। ছাড়বও না।

২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পরে ক্যানসারকেও হারিয়েছিলেন এই ক্রিকেটার। সুস্থ হয়ে ভারতীয় দলে ফিরলেও স্থায়ী হতে পারেননি। শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন পাঁচ বছর আগে। ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা টি-টোয়েন্টি ম্যাচই দেশের হয়ে শেষ ম্যাচ যুবরাজের। এ বছর আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে চার ম্যাচ খেলেছিলেন যুবি।

ক্রিকেটজীবনে রাজকীয় শাসন থেকে ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুবরাজের হার না মানা লড়াই, সমস্ত কিছুর সাক্ষী ছিলেন সতীর্থ শচিন টেন্ডুলকার। যুবির অবসরের দিনে ২০১১ সালের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ হাতে যুবরাজের সঙ্গে নিজের ছবি শচিন পোস্ট করেছেন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইটে। সঙ্গে টুইট, প্রত্যেকটি মুহূর্তে যখনই দলের প্রয়োজন পড়েছে, তুমি আক্ষরিক অর্থে চ্যাম্পিয়নের মেজাজে নিজেকে মেলে ধরেছ।

সোমবারের টুইটে শচিন লিখেছেন, মাঠে এবং মাঠের বাইরে তুমি যে ভাবে উত্থান-পতনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছ, তা অকল্পনীয়।

পাল্টা টুইটে যুবরাজ লেখেন, মাস্টার তোমার সঙ্গে এতদিন ধরে খেলার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করি। তোমাকে বিশ্বকাপ উপহার দিতে পেরে আমিও কৃতজ্ঞ।

     এ জাতীয় আরও খবর
Vladimir Ducasse Jersey