,

কার্ডিফে এগিয়ে থাকবে টাইগাররা

News

২০১১ ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচগুলোর ইতিহাস ভুলে যেতে চাইবে ইংল্যান্ড। কারণটা সবারই জানা। দুবারই টাইগারদের দাপটে বিশ্বকাপ আসরে হারতে হয়েছিল ক্রিকেটের জন্মভূমির এই দলটিকে। চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপ। ফের বাংলাদেশ দলের সামনে দাঁড়াবে ইংল্যান্ড।

ফেবারিটের তকমা গায়ে লাগিয়েই এবারের আসরের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দুর্দান্ত শুরু করেছে ইংল্যান্ড। পিছিয়ে নেই টাইগাররাও। প্রথম ম্যাচের হারের পর টাইগারদের বিপক্ষেও দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরেছে প্রোটিয়ারা। আবার বাংলাদেশ-ইংল্যান্ডও নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছে। তাই পয়েন্ট টেবিলে সহবস্থানে আছে দুদলই।

তারপরও ফেবারিট কেন ইংল্যান্ড? পেছনে তাকালে দেখা যাবে, বিশ্বকাপ শুরু আগে যে কটি ম্যাচ খেলেছে দলটি, জয়ের পাল্লাটা তাদেরই বেশি। পাকিস্তান সফরে এসেও ধবল ধোলাই হয়েছে দলটির বিপক্ষে। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং মিলিয়েই ইংল্যান্ড এবারে ফেবারিট।

ফেলে দেওয়া যাবে না বাংলাদেশকেও। বছরের পর বছর, আর সিরিজের পর সিরিজে ভালো খেলেই সামনে এগিয়েছে টাইগাররা। শুরুর ম্যাচে যত দুর্দান্ত সাকিবরা খেলেছেন, দ্বিতীয় ম্যাচে হারলেও নাকানি-চুবানি খাইয়েছে নিউজিল্যান্ডকে। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং মিলিয়ে বেশ পরিণত এবারের টাইগার টিম।

কার্ডিফে ৮ জুন স্বাগতিক ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। দুদলেরই এটি তৃতীয় ম্যাচ। প্রথম দুটি ম্যাচ ও অতীতের পরিসংখ্যান মিলিয়ে বলা যায়, কার্ডিফে এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশ দল।

কীভাবে এগিয়ে আছে টিম টাইগার্স তা বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে ২০১১ ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দুই উইকেটে ইংল্যান্ডকে হারায় বাংলাদেশ। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরি ও পেসার রুবেলের শেষ ওভারে পরপর দুটি উইকেট ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে হারিয়ে দেয় টাইগাররা। ফলাফল, আসর থেকেই বের হয়ে যেতে হয় ইংল্যান্ডকে।

সে হিসেবে বিশ্বকাপের আসরে ইংল্যান্ড শক্তিশালী দল হলেও তুলনায় ফেবারিট বাংলাদেশ। আর যেহেতু কার্ডিফে খেলা, শতভাগ সাফল্য নিয়েই খেলতে পারে বাংলাদেশ।

পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, ২০০৫ সালে সোফিয়া গার্ডেনে প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবারের মত ৫ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ। আর ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ। ম্যাচটিতে জোড়া সেঞ্চুরি করেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ।

অপরদিকে কার্ডিফে তেমন সাফল্য নেই স্বাগতিক ইংল্যান্ডের। দুবছর আগের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে সোফিয়া গার্ডেনের মাঠে পাকিস্তানের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে। তবে শুধুমাত্র জয় পরাজয়ের হিসেবে এই মাঠে এগিয়ে ইংল্যান্ড। তবে ক্রিকেটের কোনো বড় মঞ্চে সাফল্য নেই স্বাগতিকদের।

     এ জাতীয় আরও খবর
Vladimir Ducasse Jersey